গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আলাদা করে কোনো মার্কিন সেনা গাজার ভেতরে মোতায়েন করা হবে না।
গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আলাদা করে কোনো মার্কিন সেনা গাজার ভেতরে মোতায়েন করা হবে না।
গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আলাদা করে কোনো মার্কিন সেনা গাজার ভেতরে মোতায়েন করা হবে না।
গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আলাদা করে কোনো মার্কিন সেনা গাজার ভেতরে মোতায়েন করা হবে না।
গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।
TAMIM HOSSAIN